আমাদের সম্পর্কে
দমদমের বুকে জন্ম নেওয়া অঙ্গীকার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা — মানবতার সেবায় নিরন্তর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের সংস্থা সম্পর্কে
"সর্বতো সেবাহি কেবলম" — এই পরম মন্ত্রকে পাথেয় করেই আমাদের পথচলা।
দমদমের বুকে কয়েকটি পরিবারের সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অদম্য সংকল্প থেকে জন্ম নিয়েছে 'অঙ্গীকার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা'। আমাদের কাছে সেবা কোনো করুণা নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আমরা নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছি দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে। বস্ত্র বিতরণ, অন্নসংস্থান এবং আর্তের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখাই আমাদের ব্রত। বিশেষত শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমরা তাদের শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ ও শিক্ষা-সামগ্রী প্রদানের মাধ্যমে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দুর্গত মানুষের পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম প্রধান কাজ।
খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ সমাজ ও শৃঙ্খলাবোধ গড়তে আমরা গড়ে তুলেছি একটি ফুটবল একাডেমি। তবে আমাদের স্বপ্ন এখানেই থেমে নেই। আগামী দিনে একটি আদর্শ বিদ্যালয় স্থাপন, প্রবীণদের জন্য নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রম এবং অনাথ শিশুদের আশ্রয়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আশ্রয়স্থল তৈরি করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
এই মহৎ কর্মযজ্ঞ কেবল আমাদের একার প্রচেষ্টায় সফল হওয়া সম্ভব নয়। আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও আশীর্বাদই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। আসুন, আমরা হাতে হাত মিলিয়ে এক সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
আমাদের মূল কার্যক্রম
- বস্ত্র বিতরণ ও অন্নসংস্থান
- শিশু শিক্ষা ও শিক্ষা-সামগ্রী প্রদান
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন
- বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ
- ফুটবল একাডেমি
- ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিদ্যালয়, বৃদ্ধাশ্রম ও এতিমখানা
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও লক্ষ্য
এই মূলনীতিগুলোই আমাদের প্রতিটি কর্মসূচি, অংশীদারিত্ব ও সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যেখানে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ মানসম্পন্ন শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও সম্মানজনক জীবিকার সুযোগ পাবে এবং প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাপন করতে পারবে।
আমাদের লক্ষ্য
শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং টেকসই জীবিকা কর্মসূচির মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ক্ষমতায়ন করা — আত্মনির্ভরতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সকলের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।